বৌদ্ধধর্মে বোধশক্তি বা উপলব্ধি হলো ধর্মদর্শনের গভীরে যাওয়ার পুজিঁ। বোধশক্তি ছাড়াই কোন দর্শনের
সাধনাপূর্ণ লাভ করা যায় না। কোন ক্রেতা যেমন পয়সা বিনিময় না থাকলে কোন দ্রব্যই লাভ করতে পারেন না। ঠিক তেমনি বৌদ্ধধর্মে উন্নতি হতে হলে শ্রদ্ধা ও বোধশক্তি বা উপলব্ধি থাকতে হবে। শ্রদ্ধা ও বোধশক্তি না থাকলে বৌদ্ধদর্শনের মাত্রা অর্জন করা যায় না। ব্যক্তিস্বাধীন প্রয়োজনে বোধশক্তি বা উপলব্ধি হলো একান্তই ব্যক্তিগত সাধনাপুষ্ট ব্যপার। সাধনা অধম হলে আত্মশক্তির পূর্ণ বিকাশ দূরে থাক স্বতই আত্ম-উন্মোচনের প্রকৃত জ্ঞানও অর্জন সম্ভব হবে না। বুদ্ধবাণীর ভিত্তিসরুপ চতুরার্য সত্যতো প্রত্যেক বাস্তবসত্ত্বাকে উন্মোচন করে, নির্দেশ করে প্রকৃত মুক্তির দর্শন। ধর্ম্ম আপনার অস্তিত্ত্ব থেকে দুরে নয়। সেই প্রকৃত বস্তুটি অজ্ঞতা আবরণে নির্দিষ্ট আছে। আপনার ভিতরে দেখুন, আত্মানুসন্ধান করুন। ধম্ম স্বতই ব্যক্তিসত্ত্বাকে মুক্তি দিতে লেগেই আছে।→ শ্রীমৎ বীতশোক ভিক্ষু।
তাই বুদ্ধের উপদেশ অনুশীলন করুন!!
গাথা→ আত্মদীপো, আত্মশরণ, আত্মাপদীপো জীবিস্সতি।

No comments:
Post a Comment