পুণ্যফল সূত্র (প্রথম)
৫১. শ্রাবস্তী নিদান :
“হে ভিক্ষুগণ, চার প্রকারে পুণ্যফল, কুশলসম্পদ, সুখাহার, স্বর্গসুখ, সুখজনকফল, স্বর্গ সংবর্তনিক; মঙ্গলার্থে, প্রীতিকরার্থে, প্রফুলস্নার্থে, হিতার্থে, সুখার্থে সংবর্তিত হয়। সেই চার প্রকার কী কী? যথা :
চীবর পরিভোগকালে কোনো ভিক্ষু যদি অপ্রমাণ চিত্ত সমাধি উৎপন্ন করে, তাহলে তার নিকট অপ্রমেয় পুণ্যফল, কুশলসম্পদ, সুখাহার, স্বর্গসুখ, সুখজনকফল, স্বর্গসংবর্তনিক; মঙ্গলার্থে, প্রীতিকরার্থে, প্রফুলস্নার্থে হিতার্থে, সুখার্থে সংবর্তিত হয়।
পিণ্ডপাত পরিভোগকালে কোনো ভিক্ষু যদি অপ্রমাণ চিত্ত সমাধি উৎপন্ন করে, তাহলে তার নিকট অপ্রমেয় পুণ্যফল, কুশলসম্পদ, সুখাহার, স্বর্গসুখ, সুখজনকফল, স্বর্গসংবর্তনিক; মঙ্গলার্থে, প্রীতিকরার্থে, প্রফুলস্নার্থে হিতার্থে, সুখার্থে সংবর্তিত হয়।
শয়নাসন পরিভোগকালে কোনো ভিক্ষু যদি অপ্রমাণ চিত্ত সমাধি উৎপন্ন করে, তাহলে তার নিকট অপ্রমেয় পুণ্যফল, কুশলসম্পদ, সুখাহার, স্বর্গসুখ, সুখজনকফল, স্বর্গসংবর্তনিক; মঙ্গলার্থে, প্রীতিকরার্থে, প্রফুলস্নার্থে হিতার্থে, সুখার্থে সংবর্তিত হয়।
৫১. শ্রাবস্তী নিদান :
“হে ভিক্ষুগণ, চার প্রকারে পুণ্যফল, কুশলসম্পদ, সুখাহার, স্বর্গসুখ, সুখজনকফল, স্বর্গ সংবর্তনিক; মঙ্গলার্থে, প্রীতিকরার্থে, প্রফুলস্নার্থে, হিতার্থে, সুখার্থে সংবর্তিত হয়। সেই চার প্রকার কী কী? যথা :
চীবর পরিভোগকালে কোনো ভিক্ষু যদি অপ্রমাণ চিত্ত সমাধি উৎপন্ন করে, তাহলে তার নিকট অপ্রমেয় পুণ্যফল, কুশলসম্পদ, সুখাহার, স্বর্গসুখ, সুখজনকফল, স্বর্গসংবর্তনিক; মঙ্গলার্থে, প্রীতিকরার্থে, প্রফুলস্নার্থে হিতার্থে, সুখার্থে সংবর্তিত হয়।
পিণ্ডপাত পরিভোগকালে কোনো ভিক্ষু যদি অপ্রমাণ চিত্ত সমাধি উৎপন্ন করে, তাহলে তার নিকট অপ্রমেয় পুণ্যফল, কুশলসম্পদ, সুখাহার, স্বর্গসুখ, সুখজনকফল, স্বর্গসংবর্তনিক; মঙ্গলার্থে, প্রীতিকরার্থে, প্রফুলস্নার্থে হিতার্থে, সুখার্থে সংবর্তিত হয়।
শয়নাসন পরিভোগকালে কোনো ভিক্ষু যদি অপ্রমাণ চিত্ত সমাধি উৎপন্ন করে, তাহলে তার নিকট অপ্রমেয় পুণ্যফল, কুশলসম্পদ, সুখাহার, স্বর্গসুখ, সুখজনকফল, স্বর্গসংবর্তনিক; মঙ্গলার্থে, প্রীতিকরার্থে, প্রফুলস্নার্থে হিতার্থে, সুখার্থে সংবর্তিত হয়।
![]() |
| পূজনীয় ভিক্ষুসংঘকে মঞ্চে নেবার প্রস্তুতি। |
গিলান-প্রত্যয়-ভৈষজ্য উপকরণ পরিভোগকালে কোনো ভিক্ষু যদি অপ্রমাণ চিত্ত সমাধি উৎপন্ন করে, তাহলে তার নিকট অপ্রমেয় পুণ্যফল, কুশলসম্পদ, সুখাহার, স্বর্গসুখ, সুখজনকফল, স্বর্গসংবর্তনিক; মঙ্গলার্থে, প্রীতিকরার্থে, প্রফুলস্নার্থে হিতার্থে, সুখার্থে সংবর্তিত হয়।
এই চার প্রকারে পুণ্যফল, কুশলসম্পদ, সুখাহার, স্বর্গসুখ, সুখজনকফল, স্বর্গসংবর্তনিক; মঙ্গলার্থে, প্রীতিকরার্থে, প্রফুলস্নার্থে হিতার্থে, সুখার্থে সংবর্তিত হয়।
ভিক্ষুগণ, এই চার প্রকারে পুণ্যফল, কুশলসম্পদে সমন্বিত আর্যশ্রাবকের পুণ্যের পরিমাণ নির্ণয় করা দুঃসাধ্যত্মতার নিকট এ পরিমাণ পুণ্যফল, কুশলসম্পদ, সুখাহার, স্বর্গসুখ, সুখজনক ফল, স্বর্গসংবর্তনিক; মঙ্গলার্থে, প্রীতিকরার্থে, প্রফুলস্নার্থে, হিতার্থে, সুখার্থে, সংবর্তিত হয়। তাই এটা অসঙ্খেয়, অপ্রমেয়, মহাপুণ্যরাশির সংখ্যায় পরিগণিত হয়।
যেমন মহাসমুদ্রের জলের পরিমাণ নির্ণয় করা দুঃসাধ্যত্মএত পাত্র জল, এত শত পাত্র জল, এত হাজার পাত্র জল, এত লক্ষ পাত্র জল; তাই এটা অসঙ্খেয়, অপ্রমেয় মহা জলরাশির সংখ্যায় গণিত হয়। এভাবেই ভিক্ষুগণ, এই চার প্রকারে পুণ্যফল, কুশলসম্পদে সমন্বিত আর্যশ্রাবকের পুণ্যের পরিমাণ নির্ণয় করা দুঃসাধ্যত্মতার নিকট এ পরিমাণ পুণ্যফল, কুশলসম্পদ সুখাহার, স্বর্গসুখ, সুখজনক ফল, স্বর্গসংবর্তনিক; মঙ্গলার্থে, প্রীতিকরার্থে, প্রফুলস্নার্থে, হিতার্থে, সুখার্থে, সংবর্তিত হয়। তাই এটা অসঙ্খেয়, অপ্রমেয়, মহাপুণ্যরাশির সংখ্যায় পরিগণিত হয়।”
“ভয়ংকর মহাসমুদ্রের বিশাল জলরাশি,
সেথায় বিদ্যমান কিন্তু উৎকৃষ্ট রত্নরাজি।
বারণ করে না নদী কেহকে জল আহরণে,
সতত প্রবাহিত হয় যেন সমুদ্র পানে।
এভাবে পণ্ডিত নর সম্পাদনে বহুদান,
অন্ন-বস্ত্র, পানীয় আর উত্তম শয্যাসন;
পুণ্যধারা উপনীত, মহাসমুদ্রে যেমন।”

No comments:
Post a Comment